ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারি: সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের আবেদনের তথ্য কিছু সময়ের জন্য উন্মুক্ত ছিল। তবে ইসি জানিয়েছে, “তথ্য ফাঁস হয়নি”, এটি শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু সময়ের জন্য দেখা গিয়েছিল।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল মল্লিক জানান:
গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের আবেদন ওয়েবসাইটে আপাতত বন্ধ করা হয়।
শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদনের পথও বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
পূর্বে যারা নিবন্ধন করেছেন, তারা নিজের ড্যাশবোর্ডে লগইন করতে পারতেন এবং কিছু অংশে অ্যাডমিন প্যানেলও দেখতে পেতেন।
“নাম, এনআইডি কিছু সময়ের জন্য দেখা গেছে, তবে ডাউনলোডের কোনো সুযোগ ছিল না। তথ্য ফাঁসের অভিযোগ ভিত্তিহীন,” রুহুল মল্লিক বলেন।
অনেকে দাবি করেছেন যে ওয়েবসাইটটি এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে:
ওয়েবসাইটটি ইসির নিজস্ব প্রোগ্রামাররা তৈরি করেছেন।
গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি ওয়েবসাইট এআই দিয়ে তৈরি করা সম্ভব নয়।
ইসি সম্প্রতি প্রথমবারের মতো সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের অনলাইনে আবেদন নেওয়ার জন্য ওয়েবসাইট চালু করে। তবে কিছু কারণে:
তথ্য সরবরাহে জটিলতার কারণে সাংবাদিকরা অনলাইনে আবেদন নিয়ে আপত্তি জানায়।
ইসি বর্তমানে আবার ম্যানুয়ালি আবেদন গ্রহণ ও যাচাইয়ের মাধ্যমে কার্ড প্রদান করবে।
ইসির ওয়েবসাইটে আবেদন করার ধাপগুলো ছিল:
ওয়েবসাইটে এনআইডি ও ফোন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন।
নিজের ড্যাশবোর্ডে লগইন করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও দলিল আপলোড।
আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর ইসি যাচাই করে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড প্রদান।
অনেকেই ইতোমধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করেছেন, এবং অভিযোগ উঠেছে যে তাদের তথ্য ফাঁস হয়েছে, যা ইসি নাকচ করেছে।
চলতি সপ্তাহেই ইসি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড বিতরণ শুরু করতে পারে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এবার দেশজুড়ে ৫৫ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক ভোট পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব পালন করবে।