আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঝালকাঠি-২ আসন: স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজ্জাক সেলিম যে প্রতিশ্রুতি দিলেন রাজাপুর এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও বিল বাণিজ্যের অভিযোগ কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগের প্রকল্পে ভয়ংকর অনিয়মের অভিযোগ পরকীয়া থেকে প্রকল্প লুট: গণপূর্তের এক নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ মোশাররফ করিম ও রাজকে নিয়ে তমার নতুন অধ্যায় মায়ের শাড়িতে নজর কাড়লেন তাসনিয়া ফারিণ সৈকতে পরীমনির রোদেলা ভাইব বিয়ে করলেন রাফসান-জেফার দীর্ঘ বিরতির কারণ জানালেন অপু বিশ্বাস গণপূর্ত অধিদপ্তর:একই সময়ে দুই দপ্তর থেকে বেতন নেওয়ার অভিযোগ খুলনা গণপূর্তে উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ভয়াবহ দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজহারুল ইসলামকে ঘিরে তোলপাড় অভিযোগের পাহাড় পেরিয়ে বালিশকান্ডের হোতা আশরাফুল ইসলামকে পদোন্নতি এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ গণপূর্ত অধিদপ্তরে বাংলাদেশের ‘ক্ষুদ্রঋণ মডেল’ অনুসরণে আগ্রহী মালদ্বীপ গণভোটের প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণে পিরোজপুরে শিক্ষক সমাবেশ বরিশালের ৬আসনে ৭ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার বরিশালে পিআইবির প্রশিক্ষন নিয়ে সাংবাদিকদের মাঝে অসন্তোষ দুর্নীতির বরপুত্র সেটেলমেন্ট অফিসের নাজির তৌহিদুর রশিদ বহাল তবিয়তে

বরিশালের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে বদলী বাণিজ্যের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম: বরিশাল খবর
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন:
📸 ফটো কার্ড জেনারেটর

মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল : বরিশাল খাদ্য বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে বদলী বানিজ্যসহ নানান দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।ময়মনসিংহে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক থেকে পদোন্নতি পেয়ে বরিশালে যোগদানের পরেই ময়মনসিংহের মত দুর্নীতি ও অনিয়মে জড়িয়ে পরেন।

ঘুস নিয়ে ইতিমধ্যে পটুয়াখালী থেকে আলাউদ্দিনকে বাকেরগঞ্জের হলতায় বদলী করেছে।আমতলী থেকে শান্তি রঞ্জনকে বরিশাল সদরে বদলী করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।এছাড়া বিএনপির এক শীর্ষ নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে ভোলা থেকে ইমদাদকে বরিশালে বদলী করার চেষ্টা করছেন।

আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আব্দুল কাদের যোগদানের পরেই খাদ্য গুদাম কর্মকর্তাদের জেলায় বদলীতে ২০ লাখ ও উপজেলায় বদলীতে ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নির্ধারন করেছেন।ঘুসের মুল্য নির্ধারন করায় বরিশাল অঞ্চলের খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
কর্মকর্তাদের বদলী,গুদামে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পদায়ন করে ছলেছেন লাখ লাখ টাকার ঘুসের বিনিময়ে।কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বদলীতে নেয়া হচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

ময়মনসিংহে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দ্বায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে তার বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের দোসর ডিলারদের পুনর্বাসনের অভিযোগ ওঠে।বিএনপিসহ সাধারন মানুষের প্রতিবাদে ওএমএস ডিলার নিয়োগ লটারীর কার্য্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল।এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপি নেতা টুটুল ওয়াহিদ বলেন, “ফ্যাসিবাদের সময় যারা খাদ্য বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করতেন, তারাই লটারির আয়োজন করেছেন। এতে বিষয়টি স্পষ্ট যে, আওয়ামী লীগের দোসররাই সুযোগ পাবে। এটা খাদ্য বিভাগের একটি কৌশল। তাই আমরা হট্টগোল করলে লটারি কার্যক্রম স্থগিত হয়।স্থানীয় লোকজন আব্দুল কাদেরকে ফাসিবাদের দোসর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন,আব্দুল কাদের ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে থাকাকালিন সময়ে বোরো,আমন ধান ক্রয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন।তিনি ঘুস নিয়ে বাচিঁয়ে দিয়েছেন খাদ্য গুদামের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের। যারা গুদাম থেকে চাল লোপাট করে ধরা পরেছে তাদের থেকে ঘুস নিয়ে অভিযোগ থেকে মুক্ত করেছেন।ময়মনসিংহের একজন সাংবাদিক জানান,আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে ম্যানেজ করতো বিভিন্ন উপায়ে।তিনি জানান,আব্দুল কাদেরের সহযোগীতায় ময়মনসিংহের খাদ্য গুদাম গুলোতে ভয়ঙ্কর দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেছিল। মিলারদের কাছ থেকে টনপ্রতি ৪০০থেকে ৫০০ টাকা ঘুস নিয়ে গুদামে ঢুকানো হতে নিম্নমানের চাল! অল্প সময়ে কোটিপতি বনে গেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এই ঘুস ওপেন সিক্রেট বিষয়।একে বলা হতো “অফিসিয়াল খরচ”! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ময়মনসিংহের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘুষের এই রেট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল কাদের নির্ধারণ করে দিতেন। আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বলা হতো“তোমরা শুধু নিয়ম মেনে চলো, দোষ গেলো ওপরে।” তার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ , ভালো মানের চালও ঘুষ ছাড়া গুদামে ঢুকতে পারেনি ময়মনসিংহের কোন গোডাউনে।

“ঘুষ না দিলে আমাদের ভালো চালও মন্দ বলে ফেরত দেয়া হতে মিলারদের। আবার ঘুষ দিলে মন্দ টাকেও ভালো বলে গ্রহণ করতো। মিলাররা প্রতিবাদ করেনি কারন তাদের ব্যবসা ও লাইসেন্স ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়ার হুমকিতে।” আমন ও বোরো মৌসুমে এই ঘুষ বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। বিভিন্ন গুদামে নিম্নমানের চাল জমা পড়েছিল, অথচ তদারকি করেন নি আব্দুল কাদের।

এদিকে, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা খাদ্যগুদামের ১ কোটি ৭১ লাখ ৯২ হাজার ৩৮২ টাকা মূল্যের ৩২৯ টন চাল ও খালি বস্তা আত্মসাতের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দায় সারেন তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল কাদের।

এছাড়া বরিশাল ত্রিশ গোডাউনে কর্মরত সুজিত কুমার রায়কে ২০ লাখ টাকার বিনিয়মে পটুয়াখালি সদরে বদলী করা হলেও তা জেনে কোন ব্যবস্থা নেয়নি আব্দুল কাদের।সুজিত কুমার রায় ছিলেন আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি পঙ্কজ দেবনাথের জেল পার্টনার। এ বিষয়ে বরিশাল আঞ্চলাক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল কাদের এর মোবাইল ২৪ অক্টোবর বিকেল ৪ টা ৩ মিনিটে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি। ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..

সম্পাদক ও সিইও: মামুনুর রশীদ নোমানী

বরিশাল খবর অফিস: সিএন্ডবি রোড, বরিশাল

ইমেইল: nomanibsl@gmail.com

মোবাইল: 01713799669 / 01712596354

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি

© বরিশাল খবর সর্বস্ব সংরক্ষিত

Developed by : BDIX ROOT