বরগুনা

আমতলীতে প্রশাসনকে ফাকি দিয়ে চলছে কেনাকাটা

  প্রতিনিধি ৮ জুলাই ২০২১ , ৫:০৯:০০ প্রিন্ট সংস্করণ

মহিউদ্দিন লিমন ,আমতলী বরগুনা প্রতিনিধি:

লকডাউনে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার সদর ও অন্যান্য ইউনিয়নের সব দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকলেও ভিন্নচিত্র আমতলীতে। আমতলীর প্রাণকেন্দ্র একে স্কুল, মিঠা বাজার, লঞ্চঘাট, বটতলা চৌরাস্তা, হাসপাতাল রোড থেকে শুরু করে সকল যায়গায় বেশ কিছু দোকানে ব্যতিক্রম চিত্র।

আজ ( ৮ জুলাই বৃহস্পতিবার) এসব এলাকার বেশিরভাগ দোকানে তালা ঝুলিয়ে মালিক-কর্মচারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকছেন, এরপর চোখের ইশারায় ক্রেতা বুঝে ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়ে বিক্রি শেষে আবার কলাপসিবলে তালা ঝুলাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের সামনে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দেদার চলছে ইলেকট্রনিক্স, হার্ডওয়ার সামগ্রী, মোবাইল, বইখাতাসহ ফটোস্ট্যাটের কাজ।

লকডাউনের ৮ম দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেকপোস্ট কঠোর হলেও গ্রামগঞ্জে লকডাউন নেই বলতেই চলে। সব রাস্তায় এখন একদিকে যেমন রিকশা-অটো, মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত অসংখ্য গাড়ি; অন্যদিকে মানুষের ঘুরাফেরা। কঠোর বিধিনিষেধ থাকলেও সাধারণ মানুষ ঢিলেঢালা ভাবে লকডাউন নিচ্ছে। এ পরিস্থিতির কারণে মানুষ তুচ্ছ অজুহাতে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সরেজমিন গরুর বাজার, কলেজ রোড, চৌরাস্তা,একে স্কুল চৌরাস্তা, মিঠা বাজার ঘুরে দেখা যায় লকডাউন নয় এ যেন করোনার বাজার বসেছে- দোকানের একটি শাটার খোলা, ভিতরে অতিরিক্ত ক্রেতা ও সামাজিক দূরত্ব তো কেউ মানছেন। আবার কোথাও ক্রেতা ভিতরে ঢুকিয়ে শাটার এবং কলাপসিবলে তালা ঝুলিয়ে মালিক বা কর্মচারী বাইরে দাঁড়িয়ে থাকছেন। বিক্রি সম্পন্ন করে মিসকল অথবা ভিতর থেকে শাটারে শব্দ শুনলেই তালা খুলে দিচ্ছেন বাইরে অপেক্ষমাণ কর্মচারী। বেরিয়ে আসছেন ক্রেতা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িবহর দেখলেই সাধু সাবধান। এমন ব্যবসা যেন নগরীতে এখন ওপেন সিক্রেট।

সাধারণ মানুষকে জিগ্যেস করলে বলেন, এসব দোকানের শাটার বন্ধ ছিল। বাইরে অপেক্ষমাণ মালিক-কর্মচারীরা তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে আবার তালা ঝুলিয়ে দেন। মালামাল কিনতে আসলে বাহির থেকে থেকে টুকা দিতেই শাটার খুলে দেন এবং প্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন দোকান মালিক জানান, লকডাউনে ক্রেতা কম তাছাড়া আমাদের মার খেয়ে খুলতে হয় তাই একটু অতিরিক্ত দাম নিচ্ছি, ভালো ব্যবসা হচ্ছে। ক্রেতারা দামদর বেশি করতে না পারায় তাদের আমাদের লাভ ও বেশি হচ্ছে। মানুষ একদামে জিনিসপত্র কিনছে

Print Friendly, PDF & Email

আরও খবর

Sponsered content

Verified by MonsterInsights