২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

শিরোনাম
কুকরি মুকরিতে ২শ’ জেলে পরিবারের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থান সহায়ক উপকরণ বিতরণ চরফ্যাশনে ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্থ ইকোট্যুরিজম প্রকল্প পিকেএসএফ এর মহাব্যবস্থাপকের পরিদর্শন ভোলায় ৯ ইউপিতে আ.লীগ, তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী ইউপি নির্বাচনে নলছিটির ১০ ইউনিয়নেই নৌকা বিজয়ী বানারীপাড়ায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মুক্তিযোদ্ধা সহ আহত ৬ বরিশালের বানারীপাড়ায় ৭ ইউপিতে নৌকার জয় আমতলী উপজেলার ৬টি ইউপি নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ৪টি আ’লীগ ও ২টি স্বতন্ত্র বিজয়ী সহিংসতা, কেন্দ্র দখল, গুলিবর্ষণ, হতাহত ও ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে ভোলার ৪ উপজেলার ১২ ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন তজুমদ্দিনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন

রাঙ্গাবালীতে খালে বাঁধ দিয়ে মাছের ঘের!

আপডেট: জুন ৯, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

মোঃফিরোজ ফিরোজ। রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

খালটি কোন ইজারা দেয়া হয়নি। খালের মুখে চারটি বাঁধ দিয়ে করা হচ্ছে তিনটি ঘের করে মাছের চাষ। এ কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় দই শ একর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।কৃষকের পানি উঠা নামার সুবিধা জন্য দুইবার সরকারি ভাবে খালটি খনন করা হয়েছিলো।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সেনের হাওলা মৌজার সরকারি যায়গার খালের অংশ বাঁধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মাছের ঘের। এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী লোক খালটি দখল করে রেখেছে।
এলাকার কৃষকেরা বলছেন, খালটিতে বাঁধ দেওয়ায় পানির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে শুকনো মৌসুমে পানির অভাব এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে প্রতিবছর প্রায় ২০০ একর জমির ফসল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেনের হাওলা মৌজায় তাঁদের প্রায় দুইশত একর কৃষি জমি রয়েছে। এসব জমির ভেতর দিয়ে যায়েদার খাস খালটি প্রবাহিত হয়েছে। এটির দুইটি শাখা খাল রয়েছে। খালটি দিয়ে এসব জমিতে সেচ ও জমি থেকে পানি নিষ্কাশনে ব্যবহৃত হতো। দই বছর পর্যন্ত বাঁধ দিয়ে দখল করে রেখেছেন স্থানীয় নুর আলম ফরাজী ও ইসমাইল খলিফা। তাঁরা খালটির দুই পাড়ে রাস্তা করে এবং শাখা খালের মুখে বাঁধ দিয়ে ঘের বানিয়ে মাছের চাষ করছেন। খালটি দখলের প্রতিবাদ করলে তাঁদের নানা রকম ভয়ভীতি ও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়।
কৃষক মাসুদ ঢালী বলেন, ‘কৃষকদের চাষাবাদে যখন দরকার হয়, তখন পানি আটকে রাখা হয়। আবার যখন প্রয়োজন হয় না, তখন পানি বের হতে না পেরে পুরো এলাকা তলিয়ে যায়।তরমুজের সময় পানির দরকার আমাদেরকে ওই ঘের থেকে পানি দেয়া হয় না।এলাকার ১৫০০ কৃষক পরিবার ওই প্রভাবশালী লোকের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
কৃষক আলাউদ্দিন খলিফা বলেন, যায়েদার খালটি প্রায় তিন কিলোমিটার লম্বা। খালটির একটি পাশ গঙ্গীপাড়া৷৷ সুইজ খালের সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিন্তু এই খালে বাঁধ দেয়ার কারনে সেনের হাওলা ও পশুরীবুনিয়ার সমস্ত জমি বর্ষায় পানির নিচে তলিয়ে থাকে।শুকনা মৌসুমে এখানে তরমুজ চাষ হয়।ওই ঘের থেকে চাষীদের পানি দেয়া হয় না।এমনকি গরু,মহিস,ছাগলকে ও পানি খেতে দেয়া হয় না।
ওয়াদুদ হাওলাদার বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে কয়েক বছর ধরে আমন ধানের ফলন কমে আসছে।
রাঙ্গাবালী তহশিলদার মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন,আমার কাছে অভিযোগ নিয়া কেউ আসে নাই।এলাকার সবাই লিখিত অভিযোগ দিলে আমি আমার কর্তিপক্ষের সহায়তা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

Print Friendly, PDF & Email
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল খবর ২৪.কমে প্রকাশিত-প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।