১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

শিরোনাম
শ্রাবনের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া  বেতাগীতে বুড়ামজুমদার যুব সংঘের উদ্যোগ শতাধিক কর্মহীদের ঈদ সামগ্রী বিতরণ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদ আনন্দ Friends for Life and FFL BD Foundation also distributed Eid clothes among the underprivileged in Barisal বরিশালে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করল ফ্রেন্ডস ফর লাইফ ও এফ এফ এল বিডি ফাউন্ডেশন জাতীয় পার্টির বরিশাল মহানগর, জেলা ও সদর উপজেলা কমিটির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এফ এফ এল বিডি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে ঈদ সামগ্রী দিল এফ এফ এল বিডি ফাউন্ডেশন বরিশালে জাতীয় শ্রমিক পার্টির অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে ত্রান বিতরন

ভোলার ফেরিঘাটে দালালের দৌরাত্ম্য।। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট: মে ৩, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আলম বাবু, ভোলা:

দ্বীপ জেলা ভোলার বন্দর নগরী হিসেবে পরিচিতো ইলিশা ফেরিঘাট। দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় ২১টি জেলার সাথে সংযুক্ত এই ফেরিঘাট।
করোনা মহামারির কারনে সব যানবাহন বন্ধ থাকলেও জরুরী পণ্যের জন্য ফেরি চলাচল করছে নিয়মিত।
নিয়ম অনুযারী ফেরি কর্তৃপক্ষ গাড়ী লোড দিলেও বাধা হয়ে দাড়ায় স্থানীয় কিছু দালাল।
ইলিশা ফেরিঘাট এলাকায় তিনটি ট্রান্সপোর্ট থাকলেও দুইটি ট্রান্সপোর্ট নামে মাত্র থেকে ফেরিঘাটে চাঁদাবাজি করাই তাদের মুল কাজ। ইলিশার বিআইডব্লিউটিসির কতিপয় দুই একজনের সাথে আতাঁত করে চাঁদাবাজদের গডফাদার ইলিশা ট্রান্সপোর্ট এর মালিক মিন্টুর নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একটি দল গাড়ীর ড্রাইভারদের সাথে কন্টাক করে আগের গাড়ী পরে, পরের গাড়ী আগে উঠিয়ে দেওয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ড্রাইভাররা।
সরেজমিনে ইলিশা ফেরিঘাট এলাকায় গিয়ে ড্রাইভারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, একেক সময় একেক রাজনীতিক নেতা এবং প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে চলে মিন্টু বাহিনীর চাঁদাবাজি। কাঁচা মালের গাড়ী গুলোই হলো মিন্টু বাহিনীর টার্গেট, বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার গাড়ীতে মিন্টু বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে ৩/৪ হাজার টাকা কন্ঠাক করে ফেরিতে উঠিয়ে দিচ্ছেন, তাদের সাথে আতাঁত রয়েছে বিআইডব্লিউটিসির অসাধু কিছু কর্মকতাদের। আবুল হাসেম নামের এক ড্রাইভার বলেন, আমার গাড়ী নিয়ম অনুযারী আগে উঠার কথা কিন্তু মিন্টু ভাই আর হানিফ ভাই কে কিছু টাকা না দিলে উঠতে পারবো না।
কামাল হোসেন নামের একজন বলেন, ফেরির লোকে মিন্টু ভাইয়ের উপরে কিছুই বলে না।
নাম প্রকাশ না করে সত্ত্বে ইলিশা ঘাটের এক ব্যবসায়ী বলেন এই মিন্টু বাহিনীর বিরুদ্ধে পত্রিকায় লেখালেখি করেও লাভ নাই, প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে না। পাশাপাশি দুইটি পুলিশ ফাঁড়ি থাকার সত্ত্বেও তারা কি ভাবে এই চাঁদাবাজি করার সাহস পায়? এই বিষয়ে ইলিশা ট্রান্সপোর্ট এর মালিক মিন্টুর সাথে যোগাযোগ করলে মিন্টু জানান প্রতিদিনই আমার দুই একটি গাড়ী ফেরিতে উঠে, আর ঝামেলা, অভিযোগ থাকবেই, যেহেতু ঘাটে থাকি আমি। ইলিশার বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক পারভেজ খাঁন বলেন, মিন্টু নামের একজন লোক আসে ট্রান্সপোর্ট সে নাকি একটু ঝামেলা করে তবে আমার কোন স্টাফ এর সাথে জড়িত না এবং আমি ইলিশার নৌ পুলিশের ওসি কে বলেছি ঘাটে যেই বিশৃঙ্খলা করবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। ভোলার নৌ পুলিশের ইনচার্জ সুজন পাল বলেন, ইলিশা ফেরিঘাটে স্থানীয় কিছু দালালদের সিন্ডিকেট চলে এমন খবর শুনে গত পরশুদিন আমি ফোর্স পাঠিয়েছি তবে আমার ফোর্স যাওয়ার কথা দালালরা কি ভাবে যেন খবর পেয়ে তারা পালিয়ে গেছে।

Print Friendly, PDF & Email
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল খবর ২৪ প্রকাশিত-প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।