১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

বরিশাল বিভাগের ওএমএস কার্যক্রমে অনিয়ম হলেই কঠোর ব্যবস্থা

আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার : বরিশালের খাদ্য বিভাগের আওতায় ওএমএস কার্যক্রমে অনিয়ম হলেই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের হুঁশিয়ারি দিলেন বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা জনাব মোঃ ফারুক হোসেন। অত্যন্ত সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে পুরো বিভাগজুড়ে প্রশংসনীয় ভূমিকায় রয়েছেন বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা জনাব মোঃ ফারুক হোসেন। কোনরকম অনিয়ম আর দুর্নীতি কখনোই তাকে ছুঁতে পারেনি। সর্বদা হাস্যজ্জল এই কর্মকর্তা একজন ধর্মভীরু মানুষ, সহকর্মীরা জানান বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা ফারুক হোসেন খাদ্য বিভাগের সকলের কাছেই একজন প্রশংসিত ব্যক্তি। মহামারী করোনাকালে খাদ্য বিভাগের ১০ টাকা কেজি দরে বিশেষ ওএমএস এর বিষয়ে ২০২০ এপ্রিল হতে জুন মাস পর্যন্ত চাল বিক্রয়ে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের জনগণের খাদ্য সহায়তা প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। তাছাড়াও জুন মাস হতে বিশেষ ওএমএস বন্ধ হলেও সাধারণ ওএমএস এ ৩০ টাকা কেজি দরে চাল ও ১৮ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রয় চলমান রয়েছে। খোলাবাজারে মোটা চালের দর যখন প্রায় ৪৫ টাকা ও ৩০ টাকা ঊর্ধ্বে থাকায় খাদ্য বিভাগের ও এম এস এর সুলভ মূল্যে চাল-আটা ক্রয়ের জন্য বিক্রয় কেন্দ্র গুলোতে প্রচুর ভিড় দেখা যায়। তথ্যসূত্র, বিভাগীয় শহর সহ বিভিন্ন জেলা শহরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা জনাব ফারুক হোসেন এর সততা ও আন্তরিকতায় ওএমএস খাতে সরকারি বরাদ্দ সমুদয় চাল ও আটা ভক্তগনের নিকট বিক্রয়ের ডিলারগণ বাধ্য হচ্ছে। ভক্তগনের কথা চিন্তা করে তিনি ও তার দপ্তর হতে গোপনে ও অাকস্মিক সফরে কর্মকর্তাগন বের হয় বিভিন্ন জেলা শহর ও বিভাগীয় শহরে ও এম এস বিক্রয় কেন্দ্রে উপস্থিত হন ও বিকাশ মনিটরিং করেন। বিভিন্ন জেলা শহরে তার পরিদর্শনকালে ডিলারের দোকানে মওদুদের ঘাটতি দেখতে পেয়ে ডিলারদের কে জরিমানা করা হচ্ছে ওএমএস কার্যক্রম হতে সাময়িকভাবে বিরত রাখাও হচ্ছে অনেককেই। বরিশাল বিভাগে মোট ৬৯ জন ও এমএসডিল নিয়োজিত আছে। বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা পরিদর্শনকালে বরাদ্দকৃত চাল-আটা ডিলারের দোকানে মজুদ কম পাওয়ায় পটুয়াখালী জেলায় ৬ জন,ঝালকাঠি জেলায় ২ জন, বরিশাল মহানগর ৪ জন, পিরোজপুর জেলায় ৫ জন, ভোলা জেলায় ১ জন ডিলার কে মোট ৪ লক্ষ ৩০৪ টাকা জরিমান করেন। এছাড়াও সরকারি নির্দেশনা বলী লঙ্ঘন করায় বরগুনা জেলায় দুইজন পিরোজপুর জেলায় দুইজন বরিশাল মহানগর চারজন ও পটুয়াখালী জেলা একজন ডিলার এর ডিলারশিপ কার্যক্রম সাময়িকভাবে দশ দিন হতে দুই মাস পর্যন্ত স্থগিত রেখেছেন। বিভিন্ন ধরনের শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা সকল জেলার ডিলারগণ সতর্কতার সাথে চাল বিতরণ করায় ভোক্তাগন খুবই খুশি ও সহকারী খাদ্য শস্য স্বল্পমূল্যে গ্রহণ করতে পারছেন। বরিশাল মহানগর কয়েকজন ডিলার অনিয়ম ও দুর্নীতির করতে না পারায় বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। এই কুচক্রী ডিলারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন ভোক্তাগন।

Print Friendly, PDF & Email
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল খবর ২৪ প্রকাশিত-প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।