১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং, শনিবার

শিরোনাম
স্বামীর নির্যাতন সইতেনা পেরে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা গলাচিপা উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মদিন পালন গলাচিপায় পরিবার কল্যাণ সহকারী সমিতির প্রতিবাদ সভা দশমিনা দূর্নীতি ও মাদক বিরোধী অভিযানকে স্বাগত রাজাপুরে মা ইলিশ নিয়ে পালাতে গিয়ে নালায় পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু শহীদ শেখ রাসেল’র ৫৫তম জন্ম দিনে পথ শিশুদের নিয়ে কেক কাটেন পটুয়াখালীর মেয়র মহিউদ্দিন ক্যাসিনো সাঈদকে কাউন্সিলর পদ থেকে আপসরণ ঝালকাঠিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল বায়োমেট্টিক হাজিরা স্থাপনে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্যের আশঙ্কা! সংবাদকর্মী থেকে প্রকাশক ও সম্পাদক শেখ শামীম হাজারো বাধাঁ পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দৈনিক সকালের বার্তা

গলাচিপায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধর হাসপাতালে ভর্তি

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালীঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক গৃহবধু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। যৌতুক না পেয়ে স্বামী মোশারেফ মেলকার (৩৫) তার উপর নির্যাতন চালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামী মোশারেফ মেলকার হচ্ছেন আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সোনাখালী গ্রামের মেলকার বাড়ীর আমির মেলকারের ছেলে। গৃহবধু সুমি বেগম (১৮) হচ্ছেন উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বড় গাবুয়া গ্রামের করিম হাং এর মেয়ে ।

নির্যাতনের শিকার এক সন্তানের জননী গৃহবধু সুমি জানান, প্রায় আড়াই বছর আগে মোশারেফ মেলকারের সাথে তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই যৌতুকের জন্য স্বামী তাকে মারধর করতেন। দরিদ্র বাবার পক্ষে যৌতুক দেওয়া সম্ভব হবেনা ভেবে সব নির্যাতন মুখ বুঝে সহ্য করতেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে স্বামী তাকে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায় স্বামী তার কানে- পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম করেন। গৃহবধুর বাবা করিম হাং জানান, নির্যাতনের খবর পেয়ে তিনি গতকাল গৃহবধুকে উদ্ধার করে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মোস্তফা সিকদার জানান, সুমি বেগমের বাম কানে আঘাত লেগেছে এবং মারধরের চিহ্ন আছে। আমার চিকিৎসাধীনে ২য় তলায় ভর্তি আছে। সুুমি বেগম জানান, যৌতুকের জন্য আমাকে মারধর করে। আমার ১ টি দেড় বছরে মোসফিকা নামে কন্যা সন্তান রয়েছে। আমি বাম কানে শুনতে পাইনা। আমাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারধর করে। এ পর্যন্ত আমার ৫-৭ বার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শালীস করেছে। যৌতুকের জন্য আমার বাবার কাছে আমার স্বামী ৫০ হাজার টাকা দাবী করেছে। আমি অসুস্থ্য শুনে আমার বাবা আমাকে নিয়ে এসেছে। আমার সাথে আমার কন্যা সন্তানকে আমার স্বামী দেয়নি। এ বিষয়ে সুমির মা তহমিনা বেগম বলেন, আমার স্বামী একজন কাঠুরিয়া। আমরা গরীব মানুষ । আমার মেয়ের জামাইকে এ পর্যন্ত দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা দিয়েছি। এ বিষয়ে গোলখালী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ রব মিয়া ও ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন হাং বলেন আসলেই করিম হাং গরীব মানুষ। এ বিষয়ে স্বামী মোশারেফ মেলকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে সুমি পটুয়াখালীতে মানবধিকার সংস্থা লিগ্যালে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। রবিবার মানবধিকার সংস্থা লিগ্যাল এর এ্যাডভোকেট নওসিন আক্তার বিষয়টি আমলে নিয়েছেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন বলে জানান।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল খবর২৪ প্রকাশিত-প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।