১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, মঙ্গলবার

শিরোনাম
রাঙ্গাবালীতে স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার গলাচিপা উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হলেন মনিরা সুলতানা মুন্নি ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে বাউফলে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধবস্ত অবশেষে বুলবুল’র কবলে পড়া নিখোঁজ গলাচিপার ১২ জেলের সন্ধান পেলো পরিবার গলাচিপায় ভাইয়ের প্রতিপক্ষ ভাই গলাচিপার গোলখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পদে মনোনয়ন দাখিল করলেন নুর আলম জিকু ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে গলাচিপায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি গলাচিপা উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যানদের ঘূর্ণিঝড় “বুলবুল’”এর ক্ষয়-ক্ষতি কমাতে ও সতর্কীমূলক সকল ব্যবস্থা গ্রহণ এর নির্দেশ দিয়েছেন-মু.শাহীন শাহ্‌ ঘূর্ণিঝড় ”বুলবুল” মোকাবেলায় পটুয়াখালীতে ৬৮৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত, ১ লাখ ৬৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে

গলাচিপা ও রাঙ্গাবালীতে নেই কোনো আবহাওয়া অফিস

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী প্রতিনিধি
দূর্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত হলেও পটুয়াখালী জেলার দুই বিস্তীর্ণ উপজেলা গলাচিপা ও রাঙাবালীতে নেই কোনো আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড় সঙ্কেত নির্ণয় করা তো দূরের কথা, বৃষ্টিপাতের পরিমান, বাতাসের গতিবেগ নির্ণয়েও নেই কোনো ব্যবস্থা। এই কারণেই বন্যা হলেই প্রাণহানী ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ধারণার বাহিরে চলে যায়। তাই মানুষের জীবন রক্ষার্থে অতি দ্রুত আবহাওয়া অফিস স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে দাবী জানিয়েছে দুই উপজেলাবাসী।জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেসে অবস্থিত পটুয়াখালী জেলার ৮টি উপজেলার মধ্যে গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী অন্যতম। গলাচিপা উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ লোকজন বসবাস করে। রাঙ্গাবালী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের পৌনে ২লক্ষ লোক বাস করে। প্রতিবছর কমপক্ষে ১/২টি প্রবল ঘূর্ণিঝড় এসব এলাকায় আঘাত হানে। বিগত দিনগুলোতে ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, মহাসেন, রোয়ানু, মোরা ও সর্বশেষ ফণী আঘাত হানে উপকূলবর্তী এসব অঞ্চলগুলোতে। এতে ব্যাপক প্রাণহানী সহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়। কিন্তু এখানে কোনো আবহাওয়া অফিস না থাকায় ঢাকা থেকে আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রহ করে জনগনের কাছে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, ঢাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে যে সময় লাগে ততক্ষণে পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তন হয়ে যায়। কোনো কোনো সময় সাধারণ জনগন আবহাওয়ার সঠিক বার্তাও পায় না। তথ্যে থাকে ভুল ভরা। ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটে থাকে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান দ্বিগুনও ছাড়িয়ে যায়। বিশেষ করে সাগর ও নদীতে মাছ ধরা ট্রলার গুলো সঠিক তথ্য পৌঁছানো যায় না বলে প্রতিবছর প্রায় ৩০ থেকে ৪০জন জেলে ট্রলার ডুবে মারা যায়। তাই ঘূর্ণিঝড় প্রবণ অঞ্চলগুলোতে অতি দ্রুত আবহাওয়া অফিস স্থাপনের দাবী করছে এলাকাবাসী।

Print Friendly, PDF & Email
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল খবর ২৪ প্রকাশিত-প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।