,
প্রচ্ছদ | বরিশাল | অনলাইন সংবাদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | রাজনীতি | খেলাধুলা | সাহিত্য | এক্সক্লুসিভ | ফ্রেন্ডস ফর লাইফ সংবাদ | সিটিজেন জার্নালিস্ট সংবাদ | সম্পাদকীয় |

অসহায় মানুষের বন্ধু মোঃ রিপন হাওলাদার

 

স্টাফ রিপোর্টার :
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। শুধুমাত্র এই চিন্তা চেতনায় সংগ্রাম করে যাচ্ছেন অসহায় মানুষের জন্য। যার কথা বলছি তিনি আর কেউ নন তিনি হলেন ঝালকাঠী জেলার নলছিটি উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের মোঃ রিপন হাওলাদার।


অর্থ সম্পদে তার নেই কোন লোভ, একটাই আশা কিভাবে পাবেন আল্লাহ ও মানুষের ভালবাসা। মোঃ রিপন হাওলাদার নিজে থেকে এলাকায় সামাজিক ও মানবিক- স্বেচ্ছাসেবী কর্ম করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতিদিন অসহায় মানুষদের নিঃস্বার্থভাবে নিজ খরচে মুমূর্ষ রোগিসহ বিপদগ্রস্থ মানুষের সেবা করে থাকেন। তিনি ঢাকায় থাকেন। মাঝেমধ্য এলাকায় আসেন। ঢাকা থাকলেও তার প্রান থাকে এলাকায়। তিনি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি বা কোন দলের বড় নেতা নন। সাধারন একজন মানবিক মানুষ।

 


অসহায়,দুস্থ্য মানুষদের চিকিৎসার সাহায্যার্থে অলিগলি ঘুরে ঘুরে টাকা দিয়েছেন এবং দিচ্ছেন । তা দেখে সকলেই রীতিমত মুগ্ধ । তার সম্পর্কে বুলি আওড়ানোর আর অপেক্ষা রাখে না। তিনি নি:সন্দেহে একজন ভালো ও সাদা মনের মানুষ তা সাধারন মানুষের কাছেই স্বীকৃত হয়ে আছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি মানুষের জন্য সাহায্য করেছেন । এছাড়াও সাধ্যমত শীতার্থদের শীতবস্ত্র, এতিমদের মধ্যে খাবার এবং ঈদে অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে নতুন বস্ত্র বিতরণ করে থাকেন তিনি। তার এসব কার্যক্রমে কেউ কোনদিন তাকে টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতে হয় নি। তিনি সাধ্যমত খরচের যোগান দিয়েই এসব করে চলছেন। তার নিজের উপার্জনের টাকা খরচ করে, নিজে শ্রম দিয়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাওয়াই এখন তার নেশায় পরিণত হয়ে গেছে। আর এসব উপার্জনের উৎস হাজারো মানুষের ভালোবাসা। তিনি গরিব মানুষদের একান্ত আপনজন ও বন্ধু।


শুধু মোঃ রিপন হাওলাদার কেন ? সমাজের প্রতিটি মানুষ এক একটি রিপন হাওলাদার হলে আমাদের সমাজে কোন হিংসা বিদ্বেষ থাকবে না বলে মনে করেন সাধারন মানুষ।
দ্য পুওর মাস্ট নো দ্যাট উই লাভ দেম (গরিবরা বুঝবে যে আমরা তাদের ভালোবাসি) মাদার তেরেসা এ কথা বলতেন, বিশ্বাস করতেন এবং আজীবন চর্চা করতেন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি ব্যয় করেছেন আর্তমানবতার সেবায়। তিনি ছিলেন অসহায়দের সহায়। ভালোবাসা বঞ্চিতদের তিনি ভালোবাসতেন। সমাজে যারা অনাকাঙ্ক্ষিত, আশ্রয়হীন, তিনি তাদের আশ্রয়দাত্রী ছিলেন।
তিনি ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষপীড়িত ও ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের ফলে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় ভারতীয় উপমহাদেশের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এ ছাড়া ইথিওপিয়ার দুর্ভিক্ষপীড়িত, চেরনোবিল তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত, আর্মেনিয়ার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর অন্যতম।
পৃথীবিতে আমরা হয়তো মাদার তেরেসাকে আর পাবো না। তবে মাদার তেরেসার মতো মানুষের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করছে এমন মানুষ খুঁজলে হয়তো পাওয়া যায়। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এমন একজন মানুষকে খুজে পাওয়া গেলো নলছিটির মোল্লারহাট ইউনিয়নের মালুহার গ্রামের মোঃ রিপন হাওলাদারকে।
তিনি একজন মানুষ, কাজ অনেক। অসহায় দরিদ্র, অবহেলিত, শিক্ষা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার নেশা। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ি। ব্যবসায় সফলতার পরে অংশ নেন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে। তান সফলতার আন্দাজ করা না গেলেও গরীবের প্রতি তার ভালোবাসার আন্দাজ করা যায় সহসাই।
এদেশে হাজারো কোটি টাকার মালিক হলেও গরীবকে ভালোবেসে তাদের পাশে দাঁড়ানোর মানুষ কিন্তু হাতে গোনা। আর সেই সব হাতে গোনা মানুষদের মধ্যে রিপন হাওলাদার একজন।
গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানুষরা যখন দু’বেলা দু’মুঠো ভাত জোগাতে হিমশিম খান, তখন তাদের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করা যেন তাদের কাছে অভিসাপ। ঠিক তখন ওই সব শিক্ষার্থীদের শিক্ষার খরচ বহনের হাত বাড়িয়ে দেন এই মানুষটি।
প্রতি ঈদে ছুটে যান গ্রামে গ্রামে তার প্রিয় মানুষের কাছে। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে অসহায়দের হাতে তুলে দেন নতুন কাপড়।
আর এই বিলিয়ে দেয়ার মধ্যে তার একটা ভিন্নতা খুজে পাওয়া যায়। সচরাচর অসহায়দের সাহায্যে যারা করেন তাদের একটা উদ্দেশ্য থাকে। সেই উদ্দেশ্য সফল করতে তারা এই সাহায্যের পাশাপাশি ঢাকঢোলও পেটান সমান তালে। তিনি প্রতি ঈদে অসহায়দের নতুন কাপড় দিয়ে যে সাহায্য করে থাকেন, তা শুধুই অগচরে। অসহায়দের সাহায্যের প্রচারের ঠাকঢোল পেটানোর ধারে কাছেও নেই মোঃ রিপন হাওলাদার।
তার প্রমান পাওয়া যায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে। সরেজমিনে দেখা যায়- সন্ধ্যা বেলায় কাউকে না জানিয়ে টং দোকান বা গ্রামের কোন রাস্তায় হেটে বিলিয়ে দেন নতুন কাপড়, নগত অর্থ, গ্রামের তরুণদের সৎ এবং সঠিক পথে চলার পরামর্শ।
আর এসব কাজে শুধু অসহায় দরিদ্র মানুষের কাছেই তিনি প্রিয় নন, উপজেলার ছোট থেকে শুরু করে বড়দের কাছেও তিনি অতি প্রিয় মানুষ।
রিপন হাওলাদার বলেন, ভোগে নয়, আমি ত্যাগে বিশ্বাসি। অসহায় মানুষদের পাশে থাকাই আমার কাজ।
আমি রাজনীতি করি না। আমি একজন সফল ব্যবসায়ি। আর এই ব্যবসার উপার্জন দিয়েই মানুষের পাশে আছি ভবিষ্যতেও থাকবো।
নলছিটির মাটি ও মানুষ আমার প্রাণ। প্রতিটি মূহুর্তেই আমার চিন্তা ও স্বপ্ন মানুষের উন্নয়নের জন্য, নলছিটির অবহেলিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। আমার যতই বিপদ আসুক না কেন নলছিটির অবহেলিত মানুষের উন্নয়নের জন্য আমি চেষ্টা করে যাবো জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াই আমার পথ চলার শক্তি।তার কোন ইচ্ছে নেই এলাকায় চেয়ারম্যান বা অন্য কিছু হওয়ার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রচ্ছদ | বরিশাল | অনলাইন সংবাদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | রাজনীতি | খেলাধুলা | সাহিত্য | এক্সক্লুসিভ | ফ্রেন্ডস ফর লাইফ সংবাদ | সিটিজেন জার্নালিস্ট সংবাদ | সম্পাদকীয় |

উপদেষ্টা মন্ডলী

প্রধান উপদেষ্টা : শাহ্ সাজেদা ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : সৈয়দ এহছান আলী রনি ।
সহকারী সম্পাদক: খন্দকার মুন্না ।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এফ.এম. আসাদুজ্জামান (আসলাম) ।
বার্তা সম্পাদক : মোঃ নাজমুল হক ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মামুনুর রশীদ নোমানী ।

যোগাযোগ

সকল প্রকার যোগাযোগ: লুকাস কম্পাউন্ড,সদর রোড,বরিশাল ।

ইমেইল: nomanibsl@gmail.com

মোবাইল : 01839970603

ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপিংঃ ইঞ্জিনিয়ার বিডি নেটওয়ার্ক

Design & Developed BY EngineerBD