,
প্রচ্ছদ | বরিশাল | অনলাইন সংবাদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | রাজনীতি | খেলাধুলা | সাহিত্য | এক্সক্লুসিভ | ফ্রেন্ডস ফর লাইফ সংবাদ | সিটিজেন জার্নালিস্ট সংবাদ | সম্পাদকীয় |

নলছিটির সজল হত্যা : আটককৃত ইউপি চেয়ারম্যান সহ সব খুনিদের ফাঁস

মামুনুর রশীদ নোমানী :
২৭ মার্চ রাত সাড়ে ৮টায় খুনের শিকার সজলের পিতা মোঃ রফিকুল ইসলাম বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন নলছিটিতে প্রকাশ্য দিবালোকে সাইদুল ইসলাম তালুকদার (৩৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন হাওলাদারকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় মামলা হয়েছে।নিহতের পিতা আবদুল আজিজ তালুকদার বাদি হয়ে চেয়ারম্যান’র ভাই দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার ও মোজাম্মেল হোসেন হাওলাদারসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন হাওলাদারকে পুলিশ ওই দিনই আটক করে। রোববার ২৪ মার্চ সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ
দেন।নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাখাওয়াত হোসেন পিপিএম জানান, উপজেলার নাচল মহল গ্রামের সাইদুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন হাওলাদারকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এবং ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।উল্লখ্য গত ২৩ মার্চ শনিবার বিকেল ৩টার দিকে ভাগিনা রুম্মানকে নিয়ে উপজেলার নাচনমহল বাজার থেকে মোটরসাইকেলে ভারানী এলাকার দিকে যাওয়ার সময় নাচনমহল ব্রিজের দক্ষিণ পাশে সাইদুলের ওপর হামলা চালায় ১৫/ ২০ জন অস্ত্রধারী। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে সাইদুলের হাত পায়ের রক কেটে ফেলে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলাপাথারী কুপিয়ে চলে যায় তারা। এ সময় মামাকে রক্ষা করতে গেলে অস্ত্রধারীরা ভাগিনা রুম্মানকেও কুপিয়ে আহত করে। ঘটনাস্থলে সাইদুল ইসলামের মৃত্যু হয় এবং ভাগিনা রুম্মানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।(উক্ত দিন নাচলমহল বাজারটি ছিল সাপ্তাহিক বাজারের দিন) নিহতের বাবা আবদুল আজিজ তালুকদার বলেন, আমার ছেলে
এক সময় কবির চেয়ারম্যানের লোক হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিল। কবিরের সাথে চলার কারনে আমার ছেলেক বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হতো। আমি তাকে কবিরের সাথে চলতে বারন করি। এরপর থেকেই চেয়ারম্যান কবিরের সাথে সাইদুল যোগযোগ না রাখায় ও তার বিপক্ষের লোকজনের সাথে সাইদুল চলাফেরা করাতে সে আরো ক্ষিপ্ত
হয়। এ কারনেই চেয়ারম্যান ও তার ভাইয়েরা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সাইদুলকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এছাড়াও কবিরের নামে রয়েছে আরো হত্যা, নির্যাতন, নারী ধর্ষন, মাদক সহ একাধীক অভিযোগ। উল্লেখ্য (১) দলিয় গ্রুপিং এর কারণে মোল্লার হাট ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ এর সাধারন সম্পাদক সোহেল রানা কে মোল্লার হাট বাজারের একটি খাবার হোটেলে আটকিয়ে তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হাত-পায়ের রক কেটে পঙ্গুকরে দেওয়া।
(২) কামদেবপুর গ্রামের  বিশিষ্ট সমাজ সেবক শাহ আলম জোমাদ্দারকে জমিজমা বিরোধ নিয়ে নাচল মহল বাজারে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে হাতুরি ও রড দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা চালায়। ইহাতে শাহ আলম জোমাদ্দার দীর্ঘ ০১ (এক) মাস শের-ই-বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফিরে আসলে তাহার মৃত্যু হয়। এবং তাহার জমি-জমা দখল করে নিয়ে যায়। (৩) মোল্লারহাটের গাড়ি মজিবরের বড় ভাই মালুহারের ফরিদকে স্ত্রী সন্তান সহ মেরে আহত করে ঘর বাড়ী দখল করে নেয়। ফরিদ-এর  চিকিৎসারত থাকা অবস্থায় মৃত্যু হয়। এবং তাহার জমি-জমা দখল করে নিয়ে যায়। (৪) তাহার নির্বাচনী একসময়ের কর্মী গুচ্ছগ্রামের তুজাহারের ছেলে বি.এম
কলেজের ছাত্র সজলের সাথে মতামতে দন্দ হলে সজলকে পরিকল্পিতভাবে মালুহার
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেন।
(৫) তালতলা বাজার কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজার-তাহার কর্মীকে লোন না দেওয়ার
কারণে প্রকাশ্যে হাতুরি বাহিনী দিয়ে মেরে গুরুতর আহত করা ও ব্যাংকের টাকা
লুট করে নিয়ে যায়।
(৬) পূর্ব কামদেব পুরের ফুল শরীফ হাওলাদারে ছেলে আওয়ামীরীগ কর্মী বশির
হাওলাদারের সাথে বুনি বনাত না হওয়ার কারণে তাহাকে মেরে প্রান-নাষের হুমকি
দিয়ে এলাকা শূন্য করা।
(৭) নলছিটি আওয়ামী লীগ এর  নেতা হান্নান সিকদারের সাথে বুনিবনাত না হওয়ার
কারণে তাকে পরিকল্পিতভাবে কামদেবপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয় ডেকে নিয়ে আটকিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা চালায়। ইহাতে হান্নান
সিকদার এলাকাবাসীর সহযোগীতায় প্রানে বেঁচে যায়।
(৮) গুচ্ছগ্রামের আলতাফ হাওলাদারের সাথে বুনি বনাত না হওয়ায় স্ত্রী ও
সন্তানের সামনে তাকে গাছের সাথে বেঁধে হাতুরি ও রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার
চেষ্টা। ইহাতে আলতাফ এলাকাবাসীর সহযোগীতায় চিকিৎসা নিয়ে প্রাণে বেঁচে
যায়।
(৯) মধ্য কামদেবপুরের রশিদ মেম্বরের ছেলে জহিরকে কুপিয়ে প্রানে মেরে
ফেলার চেষ্টা। ইহাতে জহির এলাকাবাসীর সহযোগীতায় শের-ই-বাংলা মেডিকেলে
দীর্ঘ ০১ (এক) মাস চিকিৎসা নিয়ে প্রাণে বেঁচে যায়।
(১০) ভারানির হান্নান শরীফকে মেরে আহত করে এলাকাশুন্য করেন এবং তাহার
জমিজমা দখল করেন।
(১১) মালুহারের মোতালেব ও তার স্ত্রী সন্তানতে মেরে জমিজমা দখল করে নিয়ে যায়।
(১২) পূর্ব কামদেবপুরের মোস্তফা প্যাদাকে মেরে আহত করেন এবং তিনি
হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয় পরবর্তীতে তাহার  জমিজমা দখল করে নেওয়া।
(১৩) ইছাপাশা গ্রামের জোমাদ্দারদেরকে মেরে তাহাদের জমি দখল করে নিয়ে যাওয়া।
(১৪) মালুহারের সমাজসেবক আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনিরকে মেরে তাহার
বাড়ির রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেয়া। এলাকা ছেড়ে দেওয়ার হুমকী দেওয়া।
(১৫) রানাপাশার মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডার অমল চন্দ্রকে মেরে তাহার
জমি-জমা দকল করে নিয়ে যায়।
(১৬) নলছিটির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়া জি.কে মোস্তাফিজুর
রহমানের আপন ছোট ভাই মিজানকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।
(১৭) সুবিদপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ কর্মী শের-ই-বাংলার আসলাম খানকে মেরে আহত করে।
(১৮) নলছিটি উপজেলা আওয়ামীলীগ এর প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জনাব
আমির সোহেল মল্লিক (সুবদিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী)-এর সাথে
বুনিবনাদের অসুবিধা থাকায় পরিকল্পিতভাবে অত্র এলাকার চেয়ারম্যান ও
সন্ত্রাসী মহলকে ইন্দোন দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। ইহাতে আমির সোহেল
মল্লিক পুলিশের সহযোগীতায় প্রানে বেঁচে যায় এবং শের-ই-বাংলা হাসপাতালে
চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়।
(১৯) নাচনমহল বাজারের মালেক চৌকিদারকে মেরে তাহার দোকান দখল করে নিয়ে যায়।
(২০) রানাপাশার কালেখান কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।
(২১) কামদেব পুর জোমাদ্দার বাড়ীর খসরু কে ইটা দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা জখম করে।
(২২) নতুন হাটে একজন ভিক্ষুককে ভিক্ষা চাওয়ার অপরাধে তাহাকে মেরে আহত করে।
(২৩) কামদেরপুর জোমাদ্দারবাড়ীর সাইদুলকে হাতুড়ি দিয়ে মেরে আহত করেন।
(২৪) রানাপাশার হোপ চৌকিদারের ছেলে আব্দুল্লাহকে মেরে গুরুতর আহত করে।
(২৫) দক্ষিন ডেবরা আনোয়ারকে বিদুৎতের খুটির সাথে বেধে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে যখম করে।
(২৬) নচনমহল ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকে হাতুড়ি দিয়ে
পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।
(২৭) নাচনমহল বাজারের শংকর বিশ্বাসের ছেলে বুধীর বিশ্বাসকে হাতুড়ি দিয়ে
পিটিয়ে আহত করে।
(২৮) মালুহারের তৌফিক মেম্বরকে মেরে আহত করেন।
(২৯) মোল্লার হাটের ছাত্রলীগ কর্মী রুবেলকে মেরে হত্যার হুমকী দিয়ে এলাকা
শূন্য করেন।
(৩০) কামদেবপুরের শাহ আলম জোমাদ্দারের বড় সন্তান মামুন জোমাদ্দারকে মেরে
এলাকাশূন্য করেন।
(৩১) মোল্লার হাটের চেয়ারম্যান প্রার্থী গাড়ি মজিবরকে মেরে তাহার ব্যবহৃত
প্রাইভেট কারটি ভাংচুর করে ফেলেন।
(৩২) ভাড়ানির সেনা সদস্য জুয়েলকে মেরে তার কাছ থেকে নগদ ৭৫,০০০/-
(পচাত্তর হাজার) টাকা নিয়ে যায়।
(৩৩) মধ্যে কামদেবপুরের আলাউদ্দিন খানের বাড়ী থেকে জোড় পূর্বক তাহার ৫ টি
গরু নিয়ে যায়। পরবর্তীতে মোল্লার হাট ফাড়ী পুলিশ গরু ৫টি উদ্ধার করে দেয়।
(৩৪)  তাহার কর্মী সাহাদাৎ, জুয়েল কে দিয়ে বৌবাজার নামক স্থান ও তাহার
কর্মী কালেখা কে দিয়ে নাচনমহল বাজারে মাদক বিক্রি করাতেন।
(৩৫) স্থানীয় এক মহিল ইউপি সদস্য তাহার আপন বড় ভাই বিদেশ প্রবাশী
মোস্তফার স্ত্রী সহ একাধীক নারীর সাথে বিভিন্ন অবৈধ অনৈতিক কাজের অভিযোগ
রহিয়াছে।
(৩৬) এলাকাবাসীর কাছে শোনা যায় কবিরের কাছে একটি বিদেমী পিস্তল ও একটি
শর্ট গান রহিয়াছে। যাহা দিয়ে সে প্রারায়ই মহরা সহ এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি
প্রদান করতেন। ইহা বৈধ কি অবৈধ সেটা এলাকাবাসী জানেন না।
(৩৭) সর্বশেষ তাহার একসময়ের ডান হাত কানবালা সাইদুলের সাথে তাহার মতামতে
বিরোধ ঘটে-জানা যায়, কবির হোসেনের এক সময়ের ডান হাত কানবালা সাইদুলকে
দিয়েই পরিকল্পিতভাবে সজলকে হত্যা করান (ইহা ছাড়াও কানবালাকে দিয়ে তাহার
ব্যক্তিগত অনেক অপকর্ম করিয়েছেন) কিন্তু উক্ত মামলায় কবির হোসেন দ্রুত
জাবিনে বের হয়ে যায় কিন্তু তিনি সাইদুলকে জামিনে বের করার জন্য কোন
চেষ্টা করেন নাই। তাই সাইদুল দীর্ঘদিন জেল খেটে বের হওয়ার পরে তাহার সাথে
বিরোধ ঘটায়। এবং মালুহারের হঠাৎ রিপনের সাথে যোগ দেন এবং নাচল মহল বাজার
ইজারা নিয়ে চলছিলো উভয়ের ভিতরে দন্দ যাহার ফলে হঠাৎ রিপনের পক্ষে সাইদুল
কাজকর্ম করেন। গত ১৭/০৩/২০১৯ইং তারিখ পূর্ব কামদেবপুর ঘোরার দৌর
অনুষ্ঠানের চাঁদা নিয়ে কবির হোসেনের সাথে হঠাৎ রিপনের সাথে দন্দ বেঝে
যায়। ইহাতে কানবালা সাইদুল হঠাৎ রিপনের পক্ষ নেয় যাহাতে কবির হোসেনের
কাছে সাইদুল হয়ে উঠে আরো টার্গেটের পাত্র। পরিনতিতে কবির হোসেন তার আপন
ভাই  মুজাম্মেল হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন সহ তাহার হাতুরি বাহিনী দিয়ে
কানবালা সাইদুলকে প্রকাশ্যে দিবালকে নাচলমহল বাজার সংলগ্ন কালভার্ট এর
পাশে ফেলে কুপিয়ে হত্যা করেন। উক্ত ঘটনাটি সম্পর্কে নলছিটির থানার
ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইন-চার্জ সাখাওয়াত হোসেন জানান… মামলা সহ অন্যান্য
অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্ত অফিসার ইনচার্জ আঃ হালিম গুরুত্বের সহিত তদন্ত
করিতেছেন। এবং তদন্ত অফিসার ইন-চার্জ আঃ হালিম তিনি জানান, কবির হোসেনকে
রিমান্ডের জন্য আনা হবে। তখন সব অপরাধের বিবরন আরো ভালোভাবে জানা যাবে
এবং মামলাটি সহ অন্যান্য  বিষয় সুষ্ঠ তদন্তের জন্য তউর্দ্ধতন অফিসারদেরও
নির্দেশ  রহিয়াছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রচ্ছদ | বরিশাল | অনলাইন সংবাদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | রাজনীতি | খেলাধুলা | সাহিত্য | এক্সক্লুসিভ | ফ্রেন্ডস ফর লাইফ সংবাদ | সিটিজেন জার্নালিস্ট সংবাদ | সম্পাদকীয় |

উপদেষ্টা মন্ডলী

প্রধান উপদেষ্টা : শাহ্ সাজেদা ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : সৈয়দ এহছান আলী রনি ।
সহকারী সম্পাদক: খন্দকার মুন্না ।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এফ.এম. আসাদুজ্জামান (আসলাম) ।
বার্তা সম্পাদক : মোঃ নাজমুল হক ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মামুনুর রশীদ নোমানী ।

যোগাযোগ

সকল প্রকার যোগাযোগ: লুকাস কম্পাউন্ড,সদর রোড,বরিশাল ।

ইমেইল: nomanibsl@gmail.com

মোবাইল : 01839970603

ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপিংঃ ইঞ্জিনিয়ার বিডি নেটওয়ার্ক

Design & Developed BY EngineerBD