১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, সোমবার

শিরোনাম
গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনের বিরুদ্ধে নারী আইনজীবীকে পোটানো অভিযোগে শ্লীলতাহানী মামলা বাউফলে হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার ও ন্যায় বিচার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন গলাচিপায় দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে দুটি দোকান পুড়ে ছাই, ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি গলাচিপায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্যাতিত নারী আইনজীবীর পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন কলাপাড়ায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে অভিনন্দন জানিয়েছে পটুয়াখালীতে সভাপতি প্রার্থী হৃদয় আশিষ মিথ্যা সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রতিবাদে গলাচিপায় উপজেলা চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন গলাচিপা ও রাঙ্গাবালীতে নেই কোনো আবহাওয়া অফিস

গলাচিপা ও রাঙ্গাবালীতে নেই কোনো আবহাওয়া অফিস

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী প্রতিনিধি
দূর্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত হলেও পটুয়াখালী জেলার দুই বিস্তীর্ণ উপজেলা গলাচিপা ও রাঙাবালীতে নেই কোনো আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড় সঙ্কেত নির্ণয় করা তো দূরের কথা, বৃষ্টিপাতের পরিমান, বাতাসের গতিবেগ নির্ণয়েও নেই কোনো ব্যবস্থা। এই কারণেই বন্যা হলেই প্রাণহানী ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ধারণার বাহিরে চলে যায়। তাই মানুষের জীবন রক্ষার্থে অতি দ্রুত আবহাওয়া অফিস স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে দাবী জানিয়েছে দুই উপজেলাবাসী।জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেসে অবস্থিত পটুয়াখালী জেলার ৮টি উপজেলার মধ্যে গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী অন্যতম। গলাচিপা উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ লোকজন বসবাস করে। রাঙ্গাবালী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের পৌনে ২লক্ষ লোক বাস করে। প্রতিবছর কমপক্ষে ১/২টি প্রবল ঘূর্ণিঝড় এসব এলাকায় আঘাত হানে। বিগত দিনগুলোতে ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, মহাসেন, রোয়ানু, মোরা ও সর্বশেষ ফণী আঘাত হানে উপকূলবর্তী এসব অঞ্চলগুলোতে। এতে ব্যাপক প্রাণহানী সহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়। কিন্তু এখানে কোনো আবহাওয়া অফিস না থাকায় ঢাকা থেকে আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রহ করে জনগনের কাছে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, ঢাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে যে সময় লাগে ততক্ষণে পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তন হয়ে যায়। কোনো কোনো সময় সাধারণ জনগন আবহাওয়ার সঠিক বার্তাও পায় না। তথ্যে থাকে ভুল ভরা। ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটে থাকে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান দ্বিগুনও ছাড়িয়ে যায়। বিশেষ করে সাগর ও নদীতে মাছ ধরা ট্রলার গুলো সঠিক তথ্য পৌঁছানো যায় না বলে প্রতিবছর প্রায় ৩০ থেকে ৪০জন জেলে ট্রলার ডুবে মারা যায়। তাই ঘূর্ণিঝড় প্রবণ অঞ্চলগুলোতে অতি দ্রুত আবহাওয়া অফিস স্থাপনের দাবী করছে এলাকাবাসী।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network