১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, সোমবার

শিরোনাম
গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনের বিরুদ্ধে নারী আইনজীবীকে পোটানো অভিযোগে শ্লীলতাহানী মামলা বাউফলে হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার ও ন্যায় বিচার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন গলাচিপায় দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে দুটি দোকান পুড়ে ছাই, ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি গলাচিপায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্যাতিত নারী আইনজীবীর পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন কলাপাড়ায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে অভিনন্দন জানিয়েছে পটুয়াখালীতে সভাপতি প্রার্থী হৃদয় আশিষ মিথ্যা সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রতিবাদে গলাচিপায় উপজেলা চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন গলাচিপা ও রাঙ্গাবালীতে নেই কোনো আবহাওয়া অফিস

গলাচিপা বাঁশবুনিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা দূনিতিতে শীর্ষে

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
গলাচিপার বাঁশবুনিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় জালিয়াতিতে ভরপুর। মাদ্রাসায় সাবেক সভাপতি মো. বশির আহমেদ ২০১৪-১৭ সালের সভাপতি মো. বশির আহমেদ বলেন, আমার সভাপতি আমলে মাদ্রাসার প্রথম থেকে মো. হাফিজুর রহমান সুপার পদে থাকেন। এই হাফিজুর রহমান দূনিতিতে শীর্ষে । তিনি আরও বলেন, মাদ্রাসায় ছাত্রদের কাছ থেকে জোর করে টাকা উৎতলন, হল খরজের কথা বলে বিভিন্ন কায়দায় ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা উৎতলন।

গলাচিপা উপজেলায় গণজাগরন মঞ্চ ভাঙ্গার ১নম্বর আসামী ছিলেন সাবেক সুপার মো. হাফিজুর রহমান। যুদ্ধ অপরাধীর তালিকায় তার নাম ছিলো বলে এলাকা বাসি জানান। উল্লেখ্য, শ্বশুরকে সুপার হিসেবে নিয়োগের অভিযোগে সরেজমিন তদন্তের জন্য প্রতিষ্ঠানে এসেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা এর মহা পরিচালকের প্রতিনিধি (ডিজি) ও মাদরাসা বোর্ডের পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন।

৩১ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিভিন্ন কাগজ পত্র যাচাই বাছাই করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তদন্তের স্বার্থে আরো কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বাদুরা গ্রামের বাঁশবুনিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায়। এঘটনায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও জেলা শিক্ষা অফিসারের বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, আশির দশকে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ওই বছরই এমপিওভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মাদরাসাটির সুপার ছিলেন মো. হাফিজুর রহমান। শুরু থেকেই মাদরাসাটির বিভিন্ন পদে সুপারের চার ভাই, শ্যালক ও ছেলের শ্বশুর চাকরি করে আসছেন। এর পর থেকেই ওই সুপারের বিরুদ্ধে মাদরাসায় বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজন প্রীতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগে আরো বরা হয়, হাফিজুর রহমান মাদরাসাটির সুপার থাকাকালীন অবস্থায় তার সেজো ছেলে মো. ইলিয়াসকে মাদরাসাটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্বজন প্রীতি ওঠার অভিযোগে এবং বিধিসম্মত না হওয়ায় তার অনুমতি দেয়নি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ। এর পরেও ভূয়া ওই কমিটি দেখিয়ে সুপার ও সভাপতির বাবা হাফিজুর রহমান ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই স্থানীয় ‘দৈনিক গণদাবী’ ও ‘দৈনিক সমকাল’ পত্রিকা ফটোকপি করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জোড়া দিয়ে ‘নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি’ দেখিয়ে হাফিজুর রহমানের সেজো ছেলের শ্বশুর আবুল বশারকে মাদরাসাটির সুপার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে উল্লিখিত ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই সমকাল পত্রিকায় সুপার নিয়োগের কোন বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি।

এ প্রসঙ্গে জানার জন্য মাদরাসাটির বর্তমান সুপার মো. আবুল বাশার এর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ০১৭১৬৯১২৪৭৬ এবং সভাপতি মো. ইলিয়াস (বিতর্কিত) এর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ০১৯১২২২৮৫৪৫ নম্বরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল রিসিভ করেন নি। এ প্রসঙ্গে এ ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা বাংলাদেশ সরকার মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা এর মহা পরিচালকের প্রতিনিধি (ডিজি) ও মাদরাসা বোর্ডের পরিদর্শক, মো. হেলাল উদ্দিন মাদরাসার অফিস কক্ষে উপস্থিত স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, যাচাই বাছাই চলছে। কাগজপত্রে কোন জালিয়াতি থাকলে সংশ্লিষ্টের প্রতি আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network