১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, সোমবার

শিরোনাম
গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনের বিরুদ্ধে নারী আইনজীবীকে পোটানো অভিযোগে শ্লীলতাহানী মামলা বাউফলে হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার ও ন্যায় বিচার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন গলাচিপায় দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে দুটি দোকান পুড়ে ছাই, ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি গলাচিপায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্যাতিত নারী আইনজীবীর পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন কলাপাড়ায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে অভিনন্দন জানিয়েছে পটুয়াখালীতে সভাপতি প্রার্থী হৃদয় আশিষ মিথ্যা সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রতিবাদে গলাচিপায় উপজেলা চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন গলাচিপা ও রাঙ্গাবালীতে নেই কোনো আবহাওয়া অফিস

গলাচিপায় আজও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি বারেক মৃধা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের মৃত আজাহার মৃধার ছেলে মো. বারেক মৃধা। মুক্তিযুদ্ধকালীন রাইফেল ও গ্রেনেটের প্রশিক্ষণ নেন বিভিন্ন স্থানে। যুদ্ধকালীন কমান্ডার হানিফ সিকদারের অধীনে ৯ নম্বর সেক্টরে সরাসরি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মো. নুরুল হুদা তখন পটুয়াখালীর ক্যাপ্টেইনের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তাদের নির্দেশে পানপট্টি ও খেপুপাড়ায় পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করেন। সে সময় তার সহযোদ্ধা ছিলেন মো. হানিফ সিকদার, মো. শাহজাহান খান, মো.বাদশা সিকদার, মো. বাদল ব্যানার্জী, মো. কাদের সিকদার।

তিনি ৯ নম্বর সেক্টরের ক্যাপ্টেইন মাধী আলী ইমামের কাছে অস্ত্র জমা দেন। ২য় পর্যায়ে পটুয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বরাবরে আবেদন করলে বরিশাল বিভাগে তালিকায় তার নাম আসে। কিন্তু এখন পর্যন্তও তিনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি স্বরূপ কোন ভাতা পাননি। বর্তমানে তিনি অচল হয়ে বাড়িতে পড়ে আছেন।
মো.বারেক মৃধা বলেন, মরণের আগে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চাই, আমার অন্য কোনো চাওয়া-পাওয়া নাই সরকারের কাছে।

যুদ্ধকালীন (বিএলএফ) থানা কমান্ডার মো. নুরুল হুদা বলেন, বারেক মৃধা একাত্তরে আমাদের সঙ্গে ট্রেনিং নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করবে।

স্থানীয় এমপি এস.এম শাহজাদা বলেন, উপজেলার যাচাই-বাছাই কমিটির সব সদস্যকে নিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করা হবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network