২১শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, বুধবার

পটুয়াখালীতে ১০জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত\ বেডের আভাবে ফ্লোরে চিকিৎসা

আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীতে গত ১৭ দিনে ১০জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত। পটুয়াখালীতে এই প্রথবার ডেঙ্গু প্রকোপে মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিস্ট হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও সুযোগ সুবিধা না থাকায় রোগীরা বেসরকারী ক্লিনিক ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করছে।
ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ২৫০ শয্যা বিশিস্ট পটুয়াখালী হাসপাতালে চিকিৎসারত ডেঙ্গু রোগীরা হচ্ছেন, সদর উপজেলার ভুরিয়া এলাকার সুভাষ বিশ্বাসের ছেলে সুব্রত বিশ্বাস (১৮), জৈনকাঠী ইউনিয়নের মোতালেব হাওলাদারের ছেলে রিয়াজ (২০), দুমকী উপজেলার কাঞ্চন প্যাদার ছেলে মোঃ দেলোয়ার (৪০), বাউফলের আঃ মান্নান শরীফের ছেলে এনামুল হক(৪৪), সদর উপজেলার মৌকরন এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে সোহাগ কবির (৩৪), ভায়লার রহিম খানের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান (৫৫), পটুয়াখালী পৌর সভার কলাতলা এলাকার আবুল কালাম ফকিরের ছেলে রাকিবুল হাসান (২৭)। এছাড়া ঢাকা থেকে আসা ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে আসেন সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকার আঃ খালেক প্যাদার স্ত্রী আম্বিয়া বেগম ((৬০), টাউন কালিকাপুরের চেরাগ আলী আকনের ছেলে আনিসুর রহমান(৫৫)। পটুয়াখালী হাসপাতালে চিকিৎসারত ডেঙ্গু রোগী আম্বিয়া বেগম বলেন তিনি ঢাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন, সেখানে বসে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে পটুয়াখালীতে আসেন। জ্বর ভাল না হয়ে সে পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ২৫০ শয্যা বিশিস্ট পটুয়াখালী হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ সাঈদুজ্জামান বলেন, প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ রোগ শনাক্ত করনে আলাদা কোন মেশিন হয় না। এ্যান্টিবায়োটিক সিপদেয় রিয়েজেন্ট কিট। এ রোগ নির্মূলে কোন টিকা নেই। তাই এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। পটুয়াখালী হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা কোন সেল বা বেড না থাকায়, অন্য রোগীদের সাথে রাখা হচ্ছে। অনেক রোগীকে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।
হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাঃ অনিল দাশ গুপ্ত বলেন ডেঙ্গু হলে সকল ধরনের ব্যাথার ওষুধ বন্ধ। এ রোগের মূল চিকিৎসা হচ্ছে পানি। এ পর্যন্ত (২৯ জুলাই) ১০ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। তিনি বলেন ডেঙ্গ নিশ্চিত হওয়ার জন্য তিনটি পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে সিবিসি ও প্লাটিলেট পরীক্ষার ব্যবস্থা হাসপাতালে আছে। কিন্তু কিট এবং রিএজেন্ট সরবরাহ না থাকার কারনে এনএসওয়ান পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। ডেঙ্গু রোগীরা বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে এনএসওয়ান পরীক্ষাটি করাচ্ছেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network